১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বৃহস্পতিবার হতে শুরু হয়েছে মাহে রমজান।
সারাদিন রোজা রেখে রোজদাররা ইফতারি শুরু করেন শরবত পানের পর ফল খেয়ে ।
সারা দেশের ন্যায় মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ফলের বাজার গুলোতে ফলে ভরে গেছে তারপর ও ফলের দাম উচ্চ মূল্য হওয়ায় সাধারন ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।
ফল বিক্রেতা আব্দুল খালেক জানান ,প্রতি কেজি আপেল ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা ,আঙ্গুর ৪৫০ টাকা,কমলা ৩৫০ টাকা । ,মালটা ৩৫০ টাকা ,খেজুর ৬০০ থেকে৮০০ টাকা, তরমুজ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।
আবার কোন কোন বিক্রেতা তরমুজ ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রয় করছেন ।
ছোটবাঙ্গি ১০০ থেকে ১২০ টাকা ,পেয়ারাপ্রতি কেজি ১০০ টাকা,লেবু হালি ১০০ টাকা ,প্রতি কেজি শসা ১০০ টাকা ।
আব্দুল খালেক আরো জানান , প্রশাসনের কর্মকর্তারা বাজার পরিদর্শন করে সাবধানতা অবলম্বন এবং হুঁশিয়ারি করেছেন ।
ফল বিক্রেতারা যেন উন্নত মানের ও ভেজাল মুক্ত ফল বিক্রি করেন ।
বিশেষ করে খেজুরে যেন কোন অবস্থাতেই তেল ব্যবহার না করা হয়।
যদি কোন বিক্রেতা খেজুরের তেল ব্যবহার করে এবং বিক্রয় ধরা পড়ে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন ।
তিনি ভেজালমুক্ত ফল বিক্রয় করছেন এবং সকল ফল বিক্রেতাদের প্রশাসনের নির্দেশনাটি পৌঁছে দিয়েছেন ।
ক্রেতারা যার সাধ্য অনুযায়ী ফল ক্রয় করছেন। ক্রেতা রোকেয়া বেগম জানান,রমজান মাসে বাজারে ফলের যে দাম তা সাধারণ ক্রেতাদেরনাগালের বাইরে।
মুসলিম মিয়া জানান ,ফলের দাম চড়া তারপর ও মাহে রমজানের ইফতার সামগ্রীর মধ্যে প্রধান হচ্ছে ফল।
তাই বাধ্য হয়ে বেশি দাম দিয়ে ফল ক্রয় করলেন। ক্রেতা আব্দুর রহমান জানান ,তিনি একজন নিম্নআয়ের মানুষ।
এসেছিলেন ফল ক্রয় করতে ফলের বাজারে ফলের দাম আগুন তার পক্ষে এত দাম দিয়ে ফল ক্রয় করা সম্ভব নয়।
১০০ টাকা কেজি দামে পেয়ারা ক্রয় করলেন এ দিয়ে ইফতার সারাবেন বলে জানান ।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST