মধ্যনগর উপজেলা–এর ১নং উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বান্দ্রা গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বিদ্যালয়ের অভাবে শিশুদের দূরবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে পাঠগ্রহণ করতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের মহিষখলা, কার্তিকপুর ও সাউথপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন দূরের প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে পার্শ্ববর্তী নদী পার হওয়া বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে নদীর স্রোত বেড়ে গেলে ছোট নৌকায় পারাপার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে অনেক সময় শিশুদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি অনিয়মিত হয়ে পড়ে।
গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মুসলিম উদ্দিন,মোঃ বিল্লাল হোসেন, মো,হযরত আলী,মো, কদ্দুস আলী মহিরাজ হাজং, বিশ্ব রাজ হাজং,আশু দেব হাজং,সেলিম হাজং,আকাল হাজং, গোপাল হাজং, নন্দী হাজং,সেভেন হাজং, অর্চনা বানাই জানান, “নদী পারাপারে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিতে হচ্ছে শিশুদের। এতে তাদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
মহিষখলা গ্রামের হাদিরুজ্জামান বলেন, “সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে স্কুলে যাচ্ছে। অনেকেই নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারছে না। বিষয়টি দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন।”
অভিভাবক ও স্থানীয়রা জানান, বান্দ্রা গ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হলে শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত কমবে এবং শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষাবিদদের মতে, প্রাথমিক শিক্ষা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের ভিত্তি। তাই হাওরাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকাতেও শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST