রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় পরম ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পবিত্র জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এবং পবিত্র
ফাতেহা-ই- দোয়াজদহম উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল ও জশনে জুলুস বের করা হয়।
জশনে জুলুস ও বর্ণাঢ্য র্যালী
বুধবার সকাল ৯টা ১১ মিনিটে দৌলতদিয়া আঞ্জুমান-ই-কাদেরিয়া খানকা শরীফ ও মসজিদ কমিটির উদ্যোগে একটি বিশাল র্যালী বের হয়। র্যালীটি ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া মডেল হাই স্কুল পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে পুনারায় খানকা শরীফে এসে শেষ হয়। র্যালীতে ‘নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার’ এবং ‘নারায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)’ ধ্বনিতে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
এছাড়া অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
আঞ্জুমান-ই-কাদেরিয়া (কেন্দ্রীয় ইমাম বাড়া শরীফ): সকাল ৯টা ১১ মিনিটে বের হওয়া র্যালীটি ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক ও গোয়ালন্দ বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। কুমড়াকান্দি পাক-পাঞ্জাতন জামে মসজিদ: উজানচর মমিন মন্ডলের বাড়ি এলাকা ও কুমড়াকান্দি মসজিদ থেকে বের হওয়া র্যালীটি তুরাই মোড় হয়ে গোয়ালন্দ বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। হাবিল মন্ডল পাড়া ইমাম বাড়া: পূর্ব উজানচর হাবিল মন্ডল পাড়া (মৃধা বাড়ি) ইমাম বাড়া শরীফসহ প্রতিটি মিছিলে ‘ইয়া মুহিউ, ইয়া কাদেরু’ জিকির ও সালাতু-সালামের আবহ ছড়িয়ে পড়ে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অংশগ্রহণ
প্রতিটি আয়োজনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও আলেম-ওলামাসহ সহস্রাধিক ধর্মপ্রাণ মুসুল্লি স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত
র্যালী শেষে দৌলতদিয়া আঞ্জুমানে কাদেরিয়া খানকা শরীফ এবং কুমড়াকান্দি পাক-পাঞ্জাতন জামে মসজিদে পৃথক আলোচনা সভা ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দৌলতদিয়া খানকা শরীফে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানের ইমাম ও খতিব হাফেজ বায়েজিদ।
মোনাজাতে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ, শান্তি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST