মানিকগঞ্জ জেলা গণঅধিকার পরিষদকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও সুসংগঠিত করতে আগামী জেলা কমিটিতে মোহাম্মদ ইলিয়াছ হুছাইনকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান দলটির নেতাকর্মীদের একটি অংশ। তাদের দাবি, সংগঠনের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে ইলিয়াছ হুছাইনের মতো ত্যাগী, সৎ ও সক্রিয় নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য, মোহাম্মদ ইলিয়াছ হুছাইন দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন এবং দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। দলের নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে সক্রিয় ছিলেন। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর ভূমিকার কারণে তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মীর কাছে তিনি আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
তারা মনে করেন, শুধু সাংগঠনিক পদ নয়, একজন নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় পরিচয় হচ্ছে সংকটের সময় নেতাকর্মীদের পাশে থাকা এবং সাধারণ মানুষের দাবির পক্ষে সোচ্চার হওয়া। সেই জায়গা থেকে ইলিয়াছ হুছাইন নিজেকে একজন পরীক্ষিত ও মাঠপর্যায়ের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে দাবি তাদের।
নেতাকর্মীরা আরও বলেন, মানিকগঞ্জে গণঅধিকার পরিষয়ের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে বিস্তৃত করতে হলে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো, নতুন কর্মী তৈরি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংগঠনের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও ইলিয়াছ হুছাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তাদের প্রত্যাশা।
তাদের দাবি, আগামী জেলা কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ত্যাগ, যোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজপথের ভূমিকা বিবেচনায় নেওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে মোহাম্মদ ইলিয়াছ হুছাইনকে সভাপতি করা হলে মানিকগঞ্জ জেলা গণঅধিকার পরিষয় আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে বলে তারা মনে করছেন।
নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্বের মাধ্যমে মানিকগঞ্জে গণঅধিকার পরিষয়ের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনও আরও বেগবান হবে।
নেতাকর্মীরা বলেন, “জনতার অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার—দেশ হবে জনতার।” এই স্লোগানকে সামনে রেখে আগামী দিনে ইলিয়াছ হুছাইনের নেতৃত্বে মানিকগঞ্জ জেলা গণঅধিকার পরিষয় আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে—এমন প্রত্যাশাই
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST