ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মিস্ত্রী বাড়ি এলাকায় গভীর রাতে রহস্যজনকভাবে কাফনের কাপড়, আতর, সাবান ও হুমকিমূলক চিরকুট রেখে যাওয়ার ঘটনায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে আমিনুল ইসলামের পরিবার। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করে জানান, জমি ক্রয়কে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বোন আনোয়ারা ও বোন জামাই সিরাজ জমি বিক্রির কথা বলে তার কাছ থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা নেন। সে সময় তিনি প্রবাসে থাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে দলিল সম্পন্ন না হলেও তাকে বসবাসের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে দেশে ফিরে তিনি পাশের আরও কিছু জমি কিনে নতুন করে বসতঘর নির্মাণ শুরু করলে বিরোধ দেখা দেয়। আমিনুলের অভিযোগ, তার ভাগিনা আকতার, সুজন ও শুভ (পিতা: সিরাজ) নির্মাণকাজে বাধা দেন।
এরই মধ্যে এক সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তিনি দেখতে পান, তার বাড়ির এক কোণায় কাফনের কাপড়, আতর, সাবান এবং একটি চিরকুট রাখা রয়েছে। চিরকুটে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনায় আমিনুল ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আকতার বলেন, “জমিটি আমাদের। মানবিক কারণে তাকে থাকতে দেওয়া হয়েছিল। এখন তিনি বিল্ডিং নির্মাণ করতে গেলে আমরা বাধা দিয়েছি। তবে কাফনের কাপড় কে বা কারা রেখেছে, সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই।”
স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাটিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST