নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজের ছাত্রী ও শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে দীর্ঘ ছয় বছর ধরে মাঠ কাঁপানো চেনা মুখ ফতেমা আক্তার মাহমুদা (ইভা) বর্তমান কমিটির সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।৷ একই সাথে, সংগঠনে দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও অবদানের সঠিক মূল্যায়নের লক্ষ্যে নিজের পদবি পরিবর্তন করেন একটি সম্মানজনক দায়িত্ব প্রদানের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।
একটা কথা হবে সেটা হল এই কলেজের ভবনটা যেন মাননীয় গণপ্রজাতন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ দায়িত্বে করে, সে দায়িত্বে যেন আমি থাকতে পারি আমাকে যেন কলেজের দায়িত্ব গুলো দেয় যেন আমি নিজ দায়িত্বে সেখানে দায়িত্বগুলো ভারপ্রাপ্ত হয়ে করি, আমি নিজের চোখে ভুবন টা দেখে যেতে চাই এ ভবনটা অন্য জেলার থেকে সর্বোচ্চ উন্নত মানের ভবন যেন হয়, সামনে বাগান হয় , ছাত্র ছাত্রী যেন বিভিন্ন সুবিধা পায় ছাত্র-ছাত্রীদের যা সমস্যা গুলো আছে কলেজের ভিতর সেগুলোর জন্য সমস্যা সমাধান হয়, আমাকে দায়িত্বে অর্পণ যেন করে কলেজের ভিতরে সর্বোচ্চ সম্মানী পদবী দিয়ে ভবন কাজে আমাকে যেন দায়িত্ব রাখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাথে।
আজ (২৫মে) এক বিশেষ বিবৃতিতে জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরামের নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজ শাখার এই লড়াকু নেত্রী সংগঠনের বর্তমান সংকট, অভ্যন্তরীণ ঐক্য এবং নিজের দায়িত্ব পথচলার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন।
দীর্ঘ ৬ বছরের ত্যাগ: “কলেজ ও সংগঠন আমার হৃদয়ের অংশ”
বিবৃতিতে ফতেমা মাহমুদা আক্তার ইভা অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার স্মৃতি চারণ করেন। তিনি বলেন, বিগত ছয়টি বছর ধরে এই কলেজের আঙিনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। পুনর্মূল্যায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ চান ফতেমা মাহমুদা।
বিশেষ করে, বিগত ৩ বছর ধরে শত প্রতিকূলতার মাঝেও ‘জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরাম’ এর প্রথম দিককার একজন নেত্রী হিসেবে প্রথম পথের যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি।
নিজের সহকর্মীদের প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করে তিনি বলেন:
“জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরামের প্রতিটি সহকর্মী, প্রতিটি সদস্য আমার হৃদয়ের খুব কাছের। আপনাদের সবার সাথে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে পারাটা আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের ও আনন্দের। আমি মন থেকে চাই, আমাদের বর্তমান কমিটির সকল সদস্য অতীতের মতোই ইস্পাতকঠিন ঐক্য বজায় রাখুক। কেউ যেন পরিবর্তিত না হয়। আমরা সবাই মিলেমিশে সংগঠনের মূল আদর্শ এবং কলেজের কল্যাণে কাজ করে যাবো—এটাই আমার একমাত্র প্রত্যাশা।”
পদবি পুনর্মূল্যায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বিনীত আবেদন
বিবৃতিতে এই ছাত্রনেত্রী তাঁর বর্তমান অর্পিত পদবি নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ ও বঞ্চিত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে এর সুনির্দিষ্ট প্রতিকার চেয়েছেন। নিজের দীর্ঘদিনের সততা ও নিষ্ঠার রাজসাক্ষী রেখে তিনি দেশের বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী চেতনার সুতিকাগার জনাব তারেক রহমানের কাছে বিনীত প্রার্থনা জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ফতেমা মাহমুদা ইভা বলেন:
“সংগঠনের জন্য দীর্ঘ এতগুলো বছর আমি যেভাবে নিজের খেয়ে না খেয়ে, সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে এসেছি, ভবিষ্যতেও ঠিক একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আমার প্রতি বর্তমানে যে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে আমি সম্মানিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ভাইয়ের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি—আমার পদবীটি পরিবর্তন করে আমাকে একটি সম্মানজনক ও যোগ্য দায়িত্ব প্রদান করা হোক। এতে করে আমি আরও বেশি নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দ্বিগুণ উদ্দীপনা নিয়ে সংগঠনের জন্য কাজ করতে পারবো।”
ভিপি খন্দকার সাদ্দামের নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়
নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজের ছাত্র সংসদের সম্মানিত ভিপি খন্দকার সাদ্দামের নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন ফতেমা মাহমুদা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, কোনো ধরনের বিভেদ বা চক্রান্তের ফাঁদে না পড়ে তারা ভিপি খন্দকার সাদ্দামের সুদক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই কলেজের ছাত্র ছাত্রী এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।
তিনি বলেন, খন্দকার সাদ্দাম ভাইয়ের হাত ধরেই নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজে জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরাম আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও অপরাজেয় অবস্থানে পৌঁছাবে। ঐক্য এবং ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তারা দেশ, মাটি, মানুষ এবং কলেজের কল্যাণে যেকোনো ত্যাগ শিকারে প্রস্তুত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে এই প্রতিবেদন
নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় ছাত্র রাজনীতির পর্যবেক্ষকদের মতে, ফতেমা মাহমুদার মতো মাঠপর্যায়ের এবং শুরুর দিককার ত্যাগী নেত্রীদের মূল্যায়ন করা সংগঠনের দীর্ঘমেয়াদী সফলতার জন্য অত্যন্ত জরুরি। বড় সম্মানী এজিএস পাওয়ার প্রাপ্য অধিকার আছে। যারা দলের কঠিন সময়ে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে, নানা বিষয় ও সামাজিক বাধা (যেমন পর্দা বা বোরকা পরা নিয়ে প্রতিপক্ষের কটূক্তি) উপেক্ষা করে সংগঠনকে টিকিয়ে রেখেছেন, তাদের যোগ্য সম্মান দেওয়া হলে তৃণমূলের কর্মীরা আরও উজ্জীবিত হবে।
বিবৃতির শেষাংশে ফতেমা মাহমুদা আক্তার ইভা আইন কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী এবং ছাত্র ফোরামের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের আগামী দিনের পথচলায় সাফল্য ও শুভকামনা জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST