পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের দিন অর্থাৎ গত ২১/০৩/২০২৬ ইং তারিখ দুপুর অনুমান ১২.৩০ ঘটিকায় ডিএমপি, ঢাকার খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ এলাকায় বসবাসকারী মোঃ মাজহারুল ইসলাম এর ছেলে কাজী ফুজাইল (০২) তার অসুস্থ নানাকে দেখতে তার মা ও খালার সাথে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যায়। দুপুর অনুমান ১৪.৫৮ ঘটিকায় কাজী ফুজাইলের মা দেখতে পান তাদের সাথে আসা ছোট ছেলে কাজী ফুজাইল তাদের সাথে নেই। অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে কাজী ফুজাইলের বাবা মোঃ মাজহারুল ইসলাম কে জানালে তিনি ঢাকা মেডিকেলে আসেন। বিকাল অনুমান ১৬.০০ ঘটিকায় একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাদেরকে ফোন করে জানায় ৩,৫০,০০০/- (সাড়ে তিন লক্ষ) টাকা দিলে তারা কাজী ফুজাইলকে তাদের নিকট ফেরৎ দিবে এবং রাত অনুমান ২১.৩২ ঘটিকায় ফোন করে অগ্রিম ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা দিতে বলে। পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা মোঃ মাজহারুল ইসলাম ডিএমপি, ঢাকার শাহবাগ থানায় শিশু অপহরণ, মুক্তিপন দাবি এবং সহায়তা করার অপরাধে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল অপহরণের বিষয়টি জানতে পেরে ভিকটিম কাজী ফুজাইল (০২)’কে দ্রুত উদ্ধার এবং অপহরণকারীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ২২/০৩/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত আনুমানিক ০৩:৩০ ঘটিকায় র্যাব-১০ অপহরণকারী এমএম তানভীর (৩৫) কে রাজধানীর ধলপুর এলাকা হতে গ্রেফতার করে এবং অপহৃত শিশু ফুজাইল (০২)’কে উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত অপহরণকারী এমএম তানভীর (৩৫) এর দেয়া তথ্য মতে গায়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১০ এবং র্যাব-৯ এর একটি চৌকম আভিযানিক দল হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানা এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে অপহরণ মামলার সাথে জড়িত সক্রিয় সদস্য ও অন্যতম প্রধান অপহরণকারী *শাহনেওয়াজ চৌধুরী বাপ্পারাজ (৩০), পিতা-মৃত আঃ মালেক, সাং-কেশবপুর, থানা-শায়েস্তাগঞ্জ, জেলা-হবিগঞ্জ* কে *হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানাধীন কেশবপুর বাজার এলাকা হতে অদ্য ২৩/০৩/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ০১.৩০ ঘটিকায়* গ্রেফতার করে।গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST