রাজবাড়ীর কালুখালী বাজারে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের এক সুপার এজেন্টের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ৮টি সাব-এজেন্ট শাখা বন্ধ করে দেওয়া, গ্রাহক হয়রানি এবং কমিশন আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং সঠিক কমিশনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী সাব-এজেন্ট বঙ্কিম চন্দ্র বিশ্বাস।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বালিয়াকান্দির বড়-ঘিকমলা গ্রামের মৃত বৈদ্যনাথ বিশ্বাসের ছেলে বঙ্কিম চন্দ্র বিশ্বাস অভিযোগ করেন, কালুখালী বাজারে অবস্থিত ‘এস, এ, রকিব প্রিন্টার্স ও প্রেস’ নামের ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের সুপার এজেন্ট সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে এবং নিজস্ব উদ্যোগে তাদের ৮টি সাব-এজেন্ট আউটলেট বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ গ্রাহকরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, সুপার এজেন্ট তাদের ব্যাংকের সঞ্চয়ী হিসাবের সঠিক হিসাব দিচ্ছেন না এবং সাব-এজেন্টদের প্রাপ্য কমিশন আটকে রেখে নিজেই ভোগ করছেন। এছাড়া আউটলেটের সদস্যদের এফডিআর-কৃত টাকা ও ব্যাংকিং জমার টাকা ফেরত চাইলে উল্টো হুমকি ও মামলার ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
অবৈধভাবে বন্ধ হওয়া আউটলেটগুলোর মধ্যে রয়েছে— বঙ্কিম স্টোর (মৃগী বাজার—যা ২৩/০৪/২০২৪ইং থেকে বন্ধ), মীর সানি (রায়নগর/রায়নগর বাজার—যা ১৬/০২/২০২৬ইং থেকে বন্ধ), মেসার্স খান ট্রেডার্স (কল-কলিয়া বাজার), মেসার্স আবির ট্রেডার্স (লাড়ীবাড়ী বাজার), মেসার্স রফিকুল ইসলাম ট্রেডার্স (সোনাপুর মোড়), মীর সানি ট্রেডার্স (রায়নগর সুইচ গেট), বিল্লাল ট্রেডার্স (বাংলাদেশ হাট), সালাম ফার্মাসী (হরিণবাড়ীয়া বাজার) এবং মা বাবার দোয়া ট্রেডার্স (মাধবপুর বাজার)।
এরই মধ্যে ‘বঙ্কিম স্টোর’ ও ‘মীর সানি’ আউটলেট সংক্রান্ত জটিলতায় আদালতে মামলাও (পাংশা ২২ আদালত ১০৫/২০২৪ এবং সি.আর ৯৫/২৬) দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঠিক বিচার এবং তাদের আটকে থাকা টাকা ও কমিশনের সুষ্ঠু সমাধান পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST