সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় র্যাব-৯ এর অভিযানে ২২৩ বোতল বিদেশি মদসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল ২০২৬) রাতে উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের কেজাউড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস দমন এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯, সিপিসি-৩ সুনামগঞ্জের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের কেজাউড়া এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২৯ এপ্রিল রাত আনুমানিক ৯টা ৫০ মিনিটে র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে রাত ১০টা ৫ মিনিটে সেখানে পৌঁছায়। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ধাওয়া করে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, তাদের কাছে মাদকদ্রব্য রয়েছে। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে থাকা একটি সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তা তল্লাশি করে ২২৩ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো— মো. সাখাওয়াত হোসেন (২১), পিতা: মো. বিল্লাল উদ্দিন; মো. রাজু আহমেদ ওরফে রাজন আলী (১৯), পিতা: মো. রশিদ আলী— উভয়ের বাড়ি মাজাইর গ্রামে; এবং তানভীর আহমেদ সাগর (২৩), পিতা: বাবুল মিয়া, গ্রাম: জয় নগর। তারা সবাই বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাসিন্দা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করে যে, তারা পরস্পরের যোগসাজশে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বিদেশি মদ সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের কাছে মজুদ করে রেখেছিল।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে তাদের এবং উদ্ধারকৃত আলামত বিশ্বম্ভরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST