সীমান্ত এলাকায় ভারতের অপতৎপরতা ও পুশইন রুখে দিতে সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলার মধ্যে ৬টি উপজেলার ৯০ কিলোমিটারজুড়ে ১৯টি বিওপির সদস্যদের টহল জোরদার করা হয়েছে।
১২টি উপজেলা নিয়ে গঠিত হাওরের জেলা সুনামগঞ্জের ৬টি উপজেলার সঙ্গে ভারতের ৯০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে ৮৯ কিলোমিটার স্থলসীমা ও ১ কিলোমিটার জলসীমা। জেলার সীমান্ত এলাকাগুলো অত্যন্ত দুর্গম ও পাহাড়ি।
ফলে সুনামগঞ্জে ২৮ বর্ডার গার্ড বিজিবির সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশইন ঠেকাতে এবং সীমান্তের মানুষকে সচেতন করতে গত ৫ জুন শনিবার রাত থেকে সারাদেশের সীমান্ত এলাকার মতো এ জেলার সীমান্তেও মাইকিং করে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিজিবি সদস্যদের পাশাপাশি আনসার সদস্য এবং সীমান্ত এলাকার মানুষদের সঙ্গে নিয়ে ভারতীয় অনুপ্রবেশ ঠেকাতে দিনরাত কাজ করছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি।
আজ ১০ জুন বুধবার সকাল পর্যন্ত সুনামগঞ্জের ৬টি উপজেলার সীমান্তে সতর্ক অবস্থা জারি থাকার কারণে ভারতের বিএসএফ সদস্যরা কোনো নারী ও শিশুকে পুশইন করে পাঠাতে পারেনি। বিশেষ করে ভারতীয় বিএসএফের সদস্যরা রাতের আঁধারে সীমান্তে নারী ও শিশু পুশইন করতে না পারে, সে জন্য ২৮ বর্ডার গার্ড বিজিবির বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
কর্নেল এ. কে. এম. জাকারিয়া কাদির, অধিনায়ক, ২৮ বর্ডার গার্ড বিজিবি, সুনামগঞ্জ অঞ্চল
তিনি জানান, এই জেলা দুর্গম হওয়ায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশইন ঠেকাতে সীমান্তজুড়ে সৈন্য সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আনসার বাহিনীর সদস্যসহ এলাকার মানুষের সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সতর্কতার কারণে এখনো জেলার ৯০ কিলোমিটার সীমান্তের কোথাও কোনো শিশু কিংবা নারীকে পুশইন করার সাহস দেখাতে পারেনি বিএসএফ।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST