চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানায় চলতি বছরের গত আট মাসে নারী সংক্রান্ত ১১৯টি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে ১০৫ জন নারীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। অবশিষ্ট ঘটনাগুলোর অনুসন্ধান ও আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
থানার এই পরিসংখ্যান স্থানীয় সচেতন মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তাদের মতে, নারী ও কিশোরীদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাগুলো শুধু আইন-শৃঙ্খলার বিষয় নয়, বরং এটি সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, অনেক ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার, পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া, পারিবারিক নজরদারির ঘাটতি এবং পারিবারিক কলহের মতো বিভিন্ন কারণ এ ধরনের ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখছে। এসব কারণে অনেক পরিবার চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটায়।
সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, সন্তানদের চলাফেরা ও অনলাইন কার্যক্রমে অভিভাবকদের নিবিড় নজরদারি, নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার, পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে। একই সঙ্গে নিখোঁজের ঘটনা ঘটলে সময় নষ্ট না করে দ্রুত থানায় সাধারণ ডায়েরি করারও পরামর্শ দেন তারা।
এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, “চলতি বছরের গত আট মাসে নারী সংক্রান্ত ১১৯টি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে ১০৫ জন নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। অবশিষ্ট ঘটনাগুলোর অনুসন্ধান ও আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।