
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
জেলার কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন টিলাগাঁও-রবিরবাজার সড়কে গত ২৪ জুলাই টিলাগাঁও ইউনিয়ন ভূমি অফিস স্থানান্তরের প্রতিবাদে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। টিলাগাঁও ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের ব্যানারে ববন্ধনে কয়েকশ’ লোক অংশগ্রহণ করেন।
ইঞ্জিনিয়ার মো. মুহিবুর রহমান জাহাঙ্গীরের পরিচালনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন টিলাগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আব্দুল বাছিত, ইউপি সদস্য কয়ছর রশীদ ও আব্দুল আজিজ বেগ, সাবেক ইউপি সদস্য মো. দেওয়ান আলী ও মো. সুলতান মিয়া, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী, সমাজসেবক ফখর উদ্দিন চৌধুরী, মুজিবুর রহমান শেখ, আতিকুর রহমান আতিক, তমজিদ আলী, শ্রীকান্ত দত্ত, মো. আতাউর রহমান মনাফ, লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মিনহাজুল আবেদীন, উপজেলা জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম সামাদ ও মোস্তাফিজুর রহমান মোবারক প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ‘স্বাধীনতার পূর্ব থেকেই টিলাগাঁও ভূমি অফিস ইউনয়ন পরিষদ ভবনের পাশে অবস্থিত। এখান থেকেই ইউনিয়নের মানুষ নিয়মিত সেবা পাচ্ছেন। কিন্তু তৎকালীন ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্মকর্তা পরিষদের চেয়ারম্যান কিংবা সদস্য কারো সাথে কোন ধরণের পরামর্শ কিংবা যোগাযোগ না করেই ভূমি অফিস অন্যত্র (বাংলাবাজারে) স্থানান্তরের জন্য সম্পূর্ণ মনগড়া একটি রিপোর্ট জমা দেন। যা ইউনিয়নের কোন মানুষ জানে না। অথচ ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের পাশে পরিষদের আওতাধীন ৮৬ শতক জায়গা রয়েছে। সরকার ওই জায়গাতেই ভূমি অফিস নির্মাণ করতে পারেন।
বক্তারা আরও বলেন, ‘বর্তমান ভূমি অফিস ইউনিয়নের মধ্যখানে থাকায় পুরো ইউনিয়নের মানুষ সেবা পাচ্ছেন। তাছাড়া সকলের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভালো। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পাশে বড় একটি বাজার, রেল স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড, পোস্ট অফিস, পল্লীবিদ্যুৎ অফিস, ব্যাংক থাকায় দূরবর্তী এলাকার মানুষ এসে একসাথে অনেক কাজ করতে পারেন। কিন্তু নতুন ভূমি অফিস ভবনের জন্য প্রস্তাবিত বাংলাবাজার এলাকা ইউনিয়নের একেবারে পূর্ব সীমান্তে হওয়ায় যাতায়াতে বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের হাজীপুর, গুদামঘাট, মিয়ারপাড়া, সন্দ্রাবাজ, বলিহারা, লংলা খাস, ডরিতাজপুর, লালপুর, বাগৃহাল, কাটাউরা, সালন, গন্ডারগড়, তাজপুর গ্রামের মানুষের জন্য ভোগান্তির শিকার হবে। এই ভোগান্তির কথা বিবেচনায় রেখে ইউনয়ন পরিষদের আওতাধীন নির্ধারিত জায়গাতেই ভূমি অফিসের ভবন নির্মাণ করতে প্রশাসনের কাছে বক্তারা জোর দাবি জানান। এ ব্যাপারে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST