নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নে জমি দখল, ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙচুর ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন মো. শফিকুল ইসলাম।
গত ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে স্থানীয় একটি প্রতিপক্ষ মহল এবং ‘বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, পিরোজপুর জেলা শাখা’র প্রচারিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির প্রতিবাদ জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলামের তুলে ধরা বিভিন্ন অভিযোগ ও তার জবাব-
দলিল জালিয়াতি ও একতরফা ডিক্রির অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে তিনি জানান, জমি কেনাবেচা বা লেনদেনের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বৈধ ও আইনি উপায়ে সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে তা আদালতের মাধ্যমে বিচারাধীন বা মীমাংসিত বিষয়, যাকে রাজনৈতিক রঙ দিয়ে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে।
ঐতিহাসিক স্থাপনা, মঠ, মন্দির ভাঙচুর কিংবা কষ্টিপাথরের মূর্তি চুরির অভিযোগকে সম্পূর্ণ কাল্পনিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলাকায় দীর্ঘদিনের ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করতেই একটি কুচক্রী মহল এই স্পর্শকাতর ইস্যু তৈরি করেছে।
সেনাবাহিনীর পোশাক পরে ভয়ভীতি প্রদর্শন: রাতের আঁধারে সেনাবাহিনীর পোশাক পরে এলাকায় ভীতি সৃষ্টির অভিযোগকে ‘হাস্যকর’ আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, সমাজে তাদের সম্মান ক্ষুণ্ণ করতে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই চটকদার তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
ইউনিয়ন জামায়াতের পদ-পদবি ব্যবহার করে দখলদারিত্ব বা ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি স্পষ্ট করেন যে, সামাজিক ও দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখেই তারা চলছেন এবং এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় এই নেতা আরও উল্লেখ করেন, মূলত রাজনৈতিক বা সামাজিক ফায়দা হাসিলের জন্যই প্রতিপক্ষ মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। তিনি এই মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST