নবীপ্রেমের সোনালী ইতিহাসের পাতায় যারা স্মরণীয় তাদের মাঝে হযরত গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আন্হু আপন কর্মকীর্তির গুণে উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর। নিজেকে করেছেন খোদার রঙে রঙিন, নবীপ্রেমে বিলীন। সুন্নাতে রাসূলের অলংকারে রাঙানো ছিল যার আপাদমস্তক।যাহা কিছু করেছেন নবীপ্রেমের আলোকে, যা কিছু ত্যাগ করেছেন তাও নবীপ্রেমের জন্য। তারই প্রতিদানে বাইয়াতে রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হয়ে খলিফায়ে রাসূল উপাধিতে ভূষিত, গাউছুল আজমের পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত। শেষ যুগে নবীপ্রেমের এমন মহিমা বিরল। যার তরিক্বত বিপন্ন মানবজাতির জন্য হেদায়তময় শান্তির আলোকধারা।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে
চট্টগ্রামের পটিয়ায় ঐতিহ্যবাহী আমির ভান্ডার দরবার শরিফে গাউছিয়া আমির মঞ্জিলে আঞ্জুমানে আশেকানে পেয়ারু শাহ আমির ভান্ডারী কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের উদ্যোগে হজরত গাউছুল আযম আবদুল কাদের জিলানী ও মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারি পবিত্র ওরশ উপলক্ষে ১১ দিনব্যাপী আজিমুশশান জশনে ছরকার গাউছুল আযম মাহফিলে সপ্তম দিবস
দেশ বরেন্য ইসলামি চিন্তাবিধগণ উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
এতে মেহমান আলা উপস্থিত থেকে
গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন শায়খ সাইফুল আজম আল-আজহারী, সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া আজহারী,মুফতি আল্লামা আশেকুল বারী, মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম আল কাদেরী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন শাহসুফি সৈয়দ মাসুদ উজ্জমান আমিরী,আল্লামা শাহসুফি সৈয়দ নেওয়াজ উজ্জমান আমিরী, মুফতি শাহজাদা সৈয়দ দৌলত উজ্জমান আমিরী, পটিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সেলিম চৌধুরী, শাহজাদা সরোয়ার আমেরী, শাহজাদা মোদাচ্ছারজ্জমান আমেরী,
সাবেক ছাএনেতা মোস্তাক আহমদ,
হাজী মাঈনুদ্দীন, জহিরুল ইসলাম, মুফতি মুহাম্মদ বখতিয়ার হামিদ আল কাদেরী,
মোহাম্মদ মকসুদ ,মুহাম্মদ মাওলানা আমিরুদ্দীন নয়ন,মোহাম্মদ দিদারুল আলম, মুহাম্মদ মনির, মুহাম্মদ ইউসুফ, মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান প্রমুখ। এছাড়াও উক্ত ছরকার গাউসুল আয়ম জশনে মিলাদ মাহফিলে হাজার ভক্ত অনুক্ত উপস্থিত ছিলেন। রাতে আখেরি মোনাজাত শেষে তবররক বিতরণ করা l
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST