যৌথ নদীগুলোর পানিবণ্টনে ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশ তার ন্যায্য পাওনা আদায় করবে এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট সমর্থন রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। পানির ন্যায্য পাওনা নিশ্চিতে কোনো আপস করা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যকার পানি ইস্যুতে সহযোগিতা বাড়াতে কার্যকর সংলাপ ও যোগাযোগ প্রয়োজন।
রাজধানীতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ আয়োজিত এক সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী জানান, পানিবণ্টন সংক্রান্ত আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে। উক্ত কমিটিতে আলোচনার সুবিধার্থে ভারতের পক্ষ থেকেও প্রতিনিধি দলের নাম চাওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভারতের কাছ থেকে দ্রুতই ইতিবাচক জবাব পাওয়া যাবে, যা দুই দেশের পরবর্তী সংলাপের পথ প্রশস্ত করবে। দুই দেশের নেতৃত্বের মধ্যে সহযোগিতামূলক মনোভাব থাকলে আলোচনার মাধ্যমে পানির মতো সংবেদনশীল বিষয়ের বন্ধুত্বপূর্ণ সমাধান সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
একই সেমিনারে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নের বিষয়ে সরকারের নীতিগত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। আগামী ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বর চলতি গঙ্গা চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।
পানিসম্পদমন্ত্রী জানান, নির্ধারিত মেয়াদের আগেই নতুন চুক্তি সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই নবায়ন প্রক্রিয়ায় ১৯৭৭ সালের চুক্তির মতো গ্যারান্টি ক্লজ ফিরিয়ে আনাই বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST