মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নে পদ্মা নদীর ভাঙন শুরু হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে তিনি নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মিজ মমতাজ আলো এবং মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফা।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ভাঙনের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বলেন, “আমি এর আগে শিলই ইউনিয়ন পরিদর্শনে এসেছিলাম। তখন এখানে মসজিদটি ছিল। আজ সেই মসজিদটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার সংবাদে আমি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। নদীভাঙনে মানুষের বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হারিয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।”
তিনি বলেন, “বর্তমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এটি সাময়িক ব্যবস্থা। ভবিষ্যতে এ এলাকার নদীভাঙন স্থায়ীভাবে প্রতিরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন।”
জেলা প্রশাসক আরও জানান, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে জেলা প্রশাসন রয়েছে। ভাঙন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ সময় সংসদ সদস্য মিজ মমতাজ আলো নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST