মৌলভীবাজারের এক প্রত্যন্ত এলাকায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন এক অসহায় বৃদ্ধা। স্বামী নেই, সন্তান নেই, আত্মীয়-স্বজনেরও কোনো খোঁজ নেই। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি যেন সম্পূর্ণ একা।
জীর্ণ-শীর্ণ একটি ভাঙা ঘরই তাঁর একমাত্র আশ্রয়। নেই ঠিকমতো থাকার ব্যবস্থা, নেই একটি ভালো খাট বা বিছানা। অতি কষ্টে দিন কাটছে তাঁর। বয়সের ভারে ন্যুব্জ শরীর নিয়ে অন্যের সহায়তা ছাড়া চলাফেরাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের মতে, নিয়মিত মানবিক সহায়তা পেলে এই বৃদ্ধার জীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং মানবিক সংগঠনগুলোর প্রতি তাঁর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
মৌলভীবাজার সদর আখাইলকুড়া ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডের শেওয়াজুরী গ্রামের সুশন বালা। বয়স ৮০ পেরিয়েছে। শরীরে শক্তি নেই, পায়ে জোর নেই। শুধু আছে একটা জরাজীর্ণ ঘর। মাথা রেখে ঘুমানোর বেট বিছানা পর্যন্ত নেই!!
আর সেই ঘরের টিনের ছাউনি দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ে ও তার চোখের পানির সাথে মিশে যায়!!
সুশন বালা বলেন, আমার ঘরে দরজা নাই। রাতে কুকুর ডাকলে বুক কাঁপে। বৃষ্টি আইলে সারা রাত জাইগা থাকি। কাঁপা কাঁপা গলায় কথাগুলো বলেই আঁচল দিয়ে চোখ মোছেন সুশন বালা।
একজন অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো আমাদের সবার দায়িত্ব। আসুন, যার কেউ নেই—তার পাশে আমরা দাঁড়াই। সামান্য সহযোগিতাই হতে পারে তাঁর বেঁচে থাকার অবলম্বন।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST