মুন্সিগঞ্জেরলৌহজং,মাওয়া ,জশিলদা, ভাগ্যকুল ,কামারগাঁও ,মাঘডাল ,বাঘড়া ,নারিশা, মকসুদপুর,দোহারে বিশাল এলাকা জুড়ে পদ্মা নদীতে চর জেগেছে এবং
চরেএমনভাবে কাশফুল ফুটেছে দেখে মনে হয় এ যেন পদ্মা নদীর নয় একটি মরুভূমিএলাকা ।
এ পদ্মা নদী দিয়ে লঞ্চ, স্টিমার সহ শত শত নৌযান চলাচল করতো ।
এসব নৌযানে চড়ে যাত্রীরা ঢাকা ,মুন্সিগঞ্জ,নারায়ণগঞ্জ , চাঁদপুর ,শরীয়তপুর ,ফরিদপুর ,গোয়ালন্দে যাতায়াত করতেন ।
এছাড়া মালবাহী নৌযান বিভিন্ন প্রকার মালামাল নিয়ে এ নৌ পথে চলাচল করতো ।
এ বর্ষায় পদ্মা নদীতে পানিতে থৈ থৈ করত ।
এ সময় জেলেদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হতো ।
জেলেরা জাল দিয়ে নদী হতে বিভিন্ন মাছ ধরে তা বাজারে বিক্রি করতেন।
ক্রেতারাও তাদের পছন্দীয় মাছ পেয়ে আনন্দিত হতেন ।
মাছ বিক্রি করে যা আয় হত তা দিয়ে জেলেদের ভালোভাবে জীবিকা নির্বাহ হত ।
অপরদিকে এ বর্ষাকালে পদ্মা নদীর পানির ঢেউ ও শুশু শব্দে ভীত থাকতেন নদীর পাশে বসবাসরত বাসিন্দা ।
এ বুঝি নদীর ঢেউ ভেঙ্গে যাবে তাদের বাড়িঘর। সে পদ্মা নদী এ ভরা মৌসুমে নেই পানি নেই কোন ঢেউ দেখে মনে হয় এ যেন মরুভূমি ।
পদ্মা নদীতে যে স্থানে পানি রয়েছে তা দেখলে মনে হয় যেন খাল ।
সেই পানিতে কিছু জেলেরা নৌকা দিয়ে মাছ ধরছেন।
আবার একটি নৌকায় করে কিছু ভ্রমণ পিপাসুদের পদ্মা নদীর সরু পথ দিয়ে ভ্রমণ করতে দেখা যাচ্ছিল ।
স্থানীয়রা জানান ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার যেভাবে খাল খননের উদ্যোগ নিয়ে যেমন প্রশংসিত হয়েছেন।
সেভাবে যদি পদ্মা নদী ড্রেজিং করার উদ্যোগ নেওয়া হয় ।
পদ্মা নদী যদি তার পূর্বের অবস্থায় ফিরেআসে তাহলে পুনরায় সচল হবে নৌপথ ।
নৌযানবহন চলাচলের ফলে বেকারত্ব ঘুচাবে , আর্থিকভাবে লাভবান হবেন সরকার ও জনগণ ।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST