মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড
ছেলামত গ্রামের মরহুম মুসলিম শিকদারের ছেলে হাশেম চৌকিদার।
দরিদ্র পরিবারের জন্মগ্রহণ করায় ছোটবেলা হতেই বেছে নিতে হয়েছিল শ্রমজীবীর কাজ ।
১৯৯৬ সালে শ্যাম সিদ্ধি ইউনিয়নের চৌকিদার হিসেবে নিয়োগ পান।
একটানা ২৭ বছর চাকুরীর পর ২০২৩ সালে অবসরে চলে যান ।
এ চাকুরী জীবনে ক্ষুদ্র আয়ে চার মেয়ে দুই ছেলের ভরণ পোষণ চালান এবং চাকুরী কালীন অবস্থাতেই চার কন্যাকে বিবাহ দেন ।
২৭ বছর চাকরির পর ২০২৬ সালে অবসরের সময় তিনি কোন অবসর ভাতা পাননি।
দুই বছর পূর্বে বড় ছেলে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরের একটি অংশ অবশ হয়ে গেলে প্রতিবন্ধী হয়ে বাড়িতে শয্যাসহী।
বড় ছেলের স্ত্রী ও দুই সন্তানের দায়িত্বভার এসে পড়ে তার ঘাড়ে ।
অপরদিকে ছোট ছেলে রাজ মিস্ত্রির সহকারি হিসাবে কাজ করে যা উপার্জন করেন তা দিয়ে তার ও স্ত্রী,এক ছেলেকে নিয়ে কোনমতে চলে তার সংসার ।
পিতা কে সাহায্য করার মত আর্থিক অবস্থা নেই ছোট ছেলের তাই তিনি পুনরায় শ্রমজীবীর পেশা বেছে নিতে বাধ্য হন ।
ছোটবেলায় তিনি কাঠুরিয়ার কাজ করতেন এ বয়সে ও তিনি আবার সেই পেশায় ফিরে আসেন। প্রতিদিন কাজের সন্ধানে বাড়ি হতে বের হন।
যে দিন কাজ পান সেদিন ভাগ্যের জুটে খাবার। যেদিন কাজ না পান সেদিন না খেয়ে কাটে দিন । ইউনিয়ন পরিষদে তিনি বয়স্ক ভাতার আবেদন করলেও বঞ্চিত হয়েছেন।
বয়স্ক ভাতা না পাওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন বয়স্ক ভাতা পেলে বাকি জীবনটা একটু হলেও শান্তিতে কাটাতে পারতেন ।
১আগস্ট ২০২৬ নিজ বাড়ি হতে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে জাহানাবাদ এলাকায় কাজের সন্ধানে এসে তিনি তার দুঃখ জীবনের কাহিনী এ প্রতিনিধিকে জানান ।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST