মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট এবং পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারসহ ৩ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু।
গতকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি এসব এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, নৌ-পুলিশ ও টুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি এবং পদ্মা সেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়। নদীপথের নিরাপত্তা, ঘাট এলাকার শৃঙ্খলা এবং পর্যটক ও সাধারণ মানুষের চলাচল-সংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা, মোঃ স্বপন বেপারী এবং শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছারসহ উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা।
এ ছাড়া স্থানীয় নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর সদস্যরাও পরিদর্শন কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন।মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদীকেন্দ্রিক নৌ-যোগাযোগ এবং পর্যটন কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে ঘাট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং নদীপথে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার উদ্যোগ আরও কার্যকর হতে পারে। উল্লেখ পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন সহ ৬টা পরে কোন টুরিস্ট নদীতে ঘোরাফেরা করতে পারবেনা।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST