ঝিনাইদহে ধর্ষণের অভিযোগে একাধিক ব্যক্তির নাম সামনে এসেছে। ভুক্তভোগীর দাবি, মূল অভিযুক্ত একজন হলেও ঘটনাস্থলে আরও ৮ থেকে ১০ জন উপস্থিত ছিল। পাশাপাশি বিএনপির নাম ব্যবহার করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। মামলা দায়েরের পরও আতঙ্কে রয়েছেন তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বুধবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে। ঝিনাইদহ সরকারি নুরুন্নাহার মহিলা কলেজের সামনে থেকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ওই নারীকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে কলেজ সংলগ্ন একটি টিনসেট বাসায় নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, শাওন নামের এক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে। এছাড়াও ঘটনাস্থলে আরও ৮ থেকে ১০ জন উপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে একটি স্কুলের দারোয়ান কাদেরের ছেলে আলামিনের নামও উঠে এসেছে। একই সঙ্গে কাদের নামের এক ব্যক্তির নাম প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত তাকে নির্যাতন করা হয় এবং এ সময় ভিডিও ধারণ করা হয়। ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় বলেও জানা গেছে। ফলে পুরো রাত তার পরিবারের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। বাসায় অপেক্ষায় ছিল তার দুই সন্তান।
এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের হুমকির কারণে ভয়ে রয়েছেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগী দ্রুত বিচার দাবি করেছেন। বিচার না পেলে আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, এই ঘটনার প্রভাব পড়েছে ঝিনাইদহ সরকারি নুরুন্নাহার মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের ওপর। তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST