মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার মধ্য বাঘড়া গ্রামের মরহুম এছাহাক বেপারী কৃষি কাজ করতেন , কৃষি কাজ হতে যে আয় হত সে আয় দিয়ে স্ত্রী, চার ছেলে ও এক পালিত মেয়েকে নিয়ে চলতো সংসার ।
শত কষ্টের মাঝেও আনন্দে উৎসবে উদযাপন চলছিল সেদিন গুলো ।
এরই মাঝে ছেলেরা বড় হলে,
তার সঞ্চিত অর্থ ও আত্মীয়-স্বজন হতে ধারকরে বড় ছেলেকে প্রবাসী পাঠানোর পর আর পিছনের দিকে তাকাতে হয়নিএছাহাক বেপারীকে ।
একে একে সব ছেলে বিদেশ চলে গেলে ছেলেদের আয়ের টাকায় ভালোভাবে সংসার চলার পর উদ্বৃত্ত টাকা দিয়ে গ্রামের বসত বাড়িতে পাকাদালান ও ঢাকায় জমি ক্রয় করে গড়ে তোলেন দালান।
তারপর ঢাকার দালান ভাড়া দেন ঢাকার ভাড়া বাড়ির আয়ের টাকা ছেলেদের ব্যাংকে সঞ্চয় রাখতেন ।
কিছুদিন পর এছাহাক ব্যাপারী বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার কিছুদিন পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লে রোকেয়া বেগম একাকীত্ব হয়ে যান।
ছেলে মেয়েরা ও তার থেকে দূরে চলে যায়। একমাত্র পুত্র সালাউদ্দিন রোকেয়া বেগমকে কয়েক বছর সেবা যত্ন করার পর বর্তমানে মায়ের দায়িত্ব পালন করতে অনিহা প্রকাশ করায় তিনি অসহায় হয়ে পড়েন।
রোকেয়া বেগম এ প্রতিনিধিকে জানান,শত কষ্ট করে সন্তান বড় ও মানুষ করেছি,তাদের বিদেশ পাঠিয়েছি দেশে এবং ঢাকায় বাড়ি করে দিয়েছি । এখন তারা আমার দায়িত্ব নিতে নারাজ আমি এখন কোথায় যাব? কে নেবে আমার দায়িত্ব?
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST